|
Friday, 15 July 2011 16:23 |
|
দোকানপাটে মেয়াদবিহীন বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী ও রেস্টুরেন্টে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার বিক্রি করায় হবিগঞ্জ শহরের ৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড করা হয়েছে। দণ্ডিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে হবিগঞ্জ পৌর টার্মিনাল এলাকার নারায়ন ললের নিলিমা রেস্টুরেন্ট, জাহিদ মিয়ার আহার বিলাস রেস্টুরেন্ট, সুবির রায়ের শোভনা মিষ্টির দোকান, বিবেক বিহারি রায়ের বিপদ নাশিনী মিষ্টির দোকান, চৌধুরী বাজার এলাকায় চিনু রায়ের কনফেকশনারী দোকান, পরিমল মোদকের প্রীতম ট্রেডার্স, শংকর পালের মেসার্স নিরাঞ্জন ট্রেডার্স। গতকাল হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মাহমুদুর রহমান এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।
|
|
বিস্তারিত...
|
|
|
Friday, 15 July 2011 16:14 |
|
যোগাযোগ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, আমরা অকারণে বৃক্ষ নিধন করে পরিবেশকে বিনষ্ট করে ফেলেছি। পরিবেশের এই ভারসাম্যহীনতার বিরূপ প্রতিক্রিয়া এসে পড়েছে পরিবেশের উপর। বৃষ্টির সময় অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি, সিডর- আইলার মতো ভয়ংকর দুর্যোগ, তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণহীনতা সহ আনেক কিছু ঘটছে। আর এসব কিছুর হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত প্রতিটি জনগণকে তিনটি করে বনজ ও ফলজ গাছের চারা রোপন করতে হবে। সবাই মিলে বৃক্ষ রোপন করে দেশকে আগের মতো সবুজের সমারোহে ভরে তুলতে হবে। তাহলেই পরিবেশের অনাকাক্সিক্ষত এসব পরিস্থিতির হাত থেকে আগামী অনাগত ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। তিনি গতকাল সন্ধ্যায় বন বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বন বৃক্ষ ও ফলদ বৃক্ষ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
|
|
Last Updated on Friday, 15 July 2011 16:21 |
|
বিস্তারিত...
|
|
Friday, 17 September 2010 17:34 |
|
নভেম্বরে ইউনিয়নগুলোতে চালু হচ্ছে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র আগামী নভেম্বরে দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে ‘ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি)’ স্থাপনের কাজ শেষ হবে। এসব কেন্দ্র থেকে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণকে জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচি থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গ্লে¬াবাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হেলেন ক্লার্ক ১০ নভেম্বর যৌথভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীন দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ইউআইএসসি স্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় দু’জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে সরকার এ কেন্দ্রগুলো স্থাপন করছে। এসব কেন্দ্রে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার, প্রিন্টার, ওয়েব ক্যামেরাসহ আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও থাকবে। এটুআইয়ের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, এসব কেন্দ্র পরিচালনার জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য (কনটেন্ট) সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। সেবা কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ করছে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। গত জুন পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সেগুলোতে সেবা কার্যক্রম চলছে। নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বাকি কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ শেষ হবে। নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, ‘গ্রামীণ জনগণ এসব কেন্দ্রে গিয়ে স্বল্পমূল্যে ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে দেয়া সরকারি সেবাগুলো নিতে পারবে। সরকার ইতিমধ্যে অনলাইনে সরকারি চালান জমা নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। দরকারি যে কোনো ফরম ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবে। ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবে।’ তিনি জানান, এসব কেন্দ্রের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার চালুর লক্ষ্যেই জাতীয় ই-তথ্যকোষ তৈরি করা হচ্ছে। এ তথ্যকোষ ব্যবহার করে ইউআইএসসি থেকে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটনসহ জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত সব তথ্য পাবে গ্রামীণ মানুষ। অডিও, ভিডিও এবং প্রামাণ্য চিত্রের আকারে এসব তথ্য সাজানো থাকবে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন থেকে একজন ছেলে এবং একজন মেয়ের সমন্বয়ে ৯ হাজার উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে ৭ হাজার উদ্যোক্তারও প্রশিক্ষণ শেষ হবে। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। সরকার এবং স্থানীয় দুই উদ্যোক্তার বিনিয়োগে এসব কেন্দ্র পরিচালিত হবে। কেন্দ্রের জন্য জায়গা দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ। জাতিসংঘের তৃতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হেলেন ক্লার্ক দেশের কোনো একটি ইউনিয়নে গিয়ে এ তথ্য ও সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, নভেম্বরে উদ্বোধন করা হলেও কেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের কাজ হয়তো আরো কিছুদিন চলতে থাকবে।’ |
|
Monday, 26 July 2010 21:47 |
|
নৌযানের অভাবে হবিগঞ্জের হাওর অঞ্চল বানিয়াচঙ্গ ও আজমিরীগঞ্জের নৌ-পথে অপরাধ দমনে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। ফলে এ অঞ্চলে নৌ-ডাকাতি ও নৌপথে মাদক পাচার বেড়েই চলছে। অহরহ দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। দিনদুপুরে নৌকা থামিয়ে যাত্রীদেরকে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করাসহ জলদস্যুরা সর্বস্ব ছিনিয়ে নিচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে জলদস্যুরা। পুলিশ প্রশাসন উন্নত জলযানের অভাবে এদের প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হিমশিম হাচ্ছে। ফলে হাওর অঞ্চল বানিয়াচঙ্গ ও আজমিরীগঞ্জ নৌ-পথের যাত্রীরা চলতি বর্ষা মৌসুমে ডাকাত আতঙ্কে ভুগছেন।
|
|
Last Updated on Monday, 26 July 2010 21:49 |
|
Read more...
|
|
Saturday, 24 July 2010 23:09 |
|
গ্রামীণ সংস্কৃতিতে অপসংস্কৃতি এসে ভর করেছে। হারিয়ে গেছে ঐতিহ্য। গ্রামীণ রূপ লাবণ্য নেই। নেই গ্রামের চেহারা। আধুনিক কুরুচিসম্পন্ন কর্মকান্ড গ্রামীণ ঐতিহ্যের মাথা খেয়েছে। বাজিয়ে দিয়েছে এসবের বারোটা। নতুন প্রজন্মের কাছে এখন তা কেবলি রূপকথার মতো। কেচ্ছা-কাহিনীর মতোই শুনায়। এক সময় গ্রামে বসতো মেলা বারণি। এতে বেচা কেনা হতো গৃহস্থালির নানা জিনিসপত্র। মিলতো হাতের চুরি, নাকের নথ। দই, চিড়া, কাঁঠাল-কুশি এসবতো থাকতোই। বিয়ের দিনে কি আনন্দ! প্রথম কুচপানের মাধ্যমে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হতো। এরপর আসতো সেই কাঙ্খিত দিন। বরের বাড়ি থেকে পালকি ভর্তি কলা, নারিকেল, মিঠাই, বদনা ভর্তি লনি, চিড়া এসব আসতো। এসময় একজন লোক পাড়াময় দাওয়াত দিতো হুয়াগ নামানোর। সবাই বসে থাকতো মাতব্বরের অপেক্ষায়। মাতব্বর আসলে কি আনন্দ করে হুয়াগ নামানো হতো।
|
|
Last Updated on Saturday, 24 July 2010 23:11 |
|
বিস্তারিত...
|
|
|
|
|
|
|
Page 1 of 2 |